দেশের গণমাধ্যমের সম্পাদক ও বার্তা প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১০ জানুয়ারি শনিবার সকালে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এই মতবিনিময় হচ্ছে। মূলত সেখানে আমন্ত্রিত হিসেবে থাকবেন বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদক, টেলিভিশনের বার্তা প্রধানসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা। মতবিনিময়ে আসলে কি ফলাফল হতে পারে অথবা এই মতবিনিময়ের উদ্দেশ্য আসলে কি?
বহু বছর পর সামনাসামনি হবেন তারেক রহমান ও গণমাধ্যম কর্তারা। সম্ভবত এই মতবিনিময়ে অনেক সাংবাদিক, সম্পাদক ও প্রকাশক থাকবেন, যারা ১/১১ সরকারের সময়ও প্রভাবশালী গণমাধ্যম চালাতেন। এজন্য এই প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে যে, মতবিনিময় হলেও এই আয়োজনে স্মৃতিচারণ কি হবে? প্রকাশ্যে না হলেও, মনের ভেতরের যুদ্ধ তো থামার কথা না, যদি বিবেকের স্বাধীনতা থাকে।
তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান । দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের প্রধান নেতা। ধারণা করা হচ্ছে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী নির্বাচনের পর তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। সাধারণত দেশের রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা অথবা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংবাদিকদের অথবা সাংবাদিকদের সঙ্গে নেতার, যেভাবেই বলা হোক এমন মতবিনিময়ে কিছু দাবি, পরামর্শ ও কিছু প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন সাংবাদিকরা বা সম্পাদকরা। কিন্তু তারেক রহমানের এই মতবিনিময়ও কি এরকম আশা করা উচিত?
