নিজের অভিজ্ঞতা প্রথমবার প্রকাশ করলেন তারেক রহমান, সেই সংবাদও ব্ল্যাক-আউট!
- আপডেটের সময় : ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
- / 43
১৯ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি ও তারেক রহমানের ভূমিকা কী? এই বিষয়ে দেশের কোন গণমাধ্যম সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার করেনি দেশের গণমাধ্যম সংঘবদ্ধভাবে এই বিষয়ের নিউজ ব্ল্যাক আউট করে দেয় ৫ আগস্টের আগে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশ নিষিদ্ধ ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে তারেক রহমান নিয়শিত দিননিরদেশনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন সেগুলো পরবর্তীতেও কোন সংবাদ করেনি এমননি পরবরতীতে তারেক রহমান নিজে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে বক্তব্য দিলে্ও পরিকল্পিতভাবে ব্ল্যাকআউট করেছে গণমাধ্যমগুলো
তারেক রহমান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির এই অনুষ্ঠানে আজ আপনাদের সামনে শেয়ার করতে চাই সেই দিনগুলোর কিছু ঘটনা। রংপুরে শহীদ আবু সাঈদ চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকরাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একই দিনে কমপক্ষে ৬ জন শহীদ হওয়ার মাধ্যমে ১৬ জুলাই থেকে মাফিয়া সরকারের পতন ঘণ্টা বেজে ওঠে। কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলন শুরু হলেও ১৬ই জুলাই এর পর থেকে আন্দোলন মূলত কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। আজ ঘর ভাড়া এই মানুষগুলো যারা উপস্থিত আছেন তারা কমবেশি সেদিনের সেই ঘটনা সম্পর্কে জানেন।
সারাদেশে স্ফুলিঙ্গের মতো আন্দোলন ছড়িয়ে পড়া আন্দোলন দমন করতে তৎকালীন মাফিয়া সরকার বেপরোয়া হত্যা ও দমন নিপীড়ন চালনা শুরু করে। মাফিয়া সরকারের গুলি বন্দুকের ভয়কে উপেক্ষা করে, বিশেষ করে ১৮ জুলাই থেকে দল মত নির্বিশেষে বিশেষ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক শিক্ষার্থীরা যেভাবে রাজপথে সাহসিকতার সঙ্গে নেমে এসে বুকে তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। সেদিন থেকে আমার চূড়ান্তভাবে বিশ্বাস জন্মেছিল যে, মাফিয়া সরকারের পতন এখন শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার।
তারেক রহমান বলেন, সেই উপলব্ধি ও বিশ্বাস থেকেই ছাত্র জনতার রক্ত খয়ে আন্দোলনকে ফ্যাসিস্ট পতনের এক দফা আন্দোলন পরিণত করে নিশ্চিত করতে বিএনপি সহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলো, পরিকল্পনা ও কৌশল অবলম্বন করেছিল। তবে কোটা সংস্কারে পথ ধরে ফ্যাসিস্ট পতনের আন্দোলন যাতে দেশে এবং বিদেশে কোনভাবেই যাতে কোন একটি পার্টিকুলার বা একক রাজনৈতিক দলের আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি না পায় সেটিও নিশ্চিত রাখা ছিল, রাজনৈতিক কৌশলীর একটি অংশ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অনুষ্ঠানে তারেক রহমান আরো বলেন, আপনাদের কারো কারো হয়তো স্মরণে আছে তারপরও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, ঔ ২০১৪ সালের ১৫ জুলাই লন্ডনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলাম। সেই বক্তব্যে সেদিন আমি তুলে ধরেছিলাম স্বাধীনতার এত বছর পরও সরকারি চাকরিতে ৫৬% কোটা অযৌক্তিক এবং অপরিণাম দর্শী । সুতরাং আমরা মনে করি বিএনপি মনে করে জনগণের রায় বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে চাকরিতে কোটা ৫৬ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। আমি সেদিনই বলেছিলাম এই কথা ২০১৪ সালে।








