ঢাকা , রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ডাকসু ২০২৫: ছাত্রদলের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের সংঘবদ্ধ অপপ্রচার ও প্রশাসনিক ষড়যন্ত্র! নিজের অভিজ্ঞতা প্রথমবার প্রকাশ করলেন তারেক রহমান, সেই সংবাদও ব্ল্যাক-আউট! মতবিনিময়ে গণমাধ্যম কর্তারা তারেক রহমানের কাছে চাইবেন, নাকি দিবেন ? মতবিনিময়ে গণমাধ্যম কর্তারা তারেক রহমানের কাছে চাইবেন, নাকি দিবেন ? তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে সহমর্মিতা জানিয়েছেন পাকিস্তানের স্পিকার দেশনেত্রীর শেষ বিদায়ে বিশ্ববাসী দেখলো খালেদার জনপ্রিয়তা গণমাধ্যম এখন ‘কোন গণমানুষের’ কথা বলতে চায় ? ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে বলে মনে হচ্ছে না, মালয়েশিয়ায় নাহিদ ইসলাম আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার

দেশনেত্রীর শেষ বিদায়ে বিশ্ববাসী দেখলো খালেদার জনপ্রিয়তা

ডেস্ক রিপো‍র্ট, ওপেন মিডিয়া
  • আপডেটের সময় : ১১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 149

 

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা যেন দেশনেত্রীর বিদায়ে শোকাবহে এক জনসমুদ্র৤ আপোষহীন দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের মা হিসেবে পরিচিত সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া৤ তাঁর এই শেষ বিদায়ে মানুষের উপস্থিতির মাধ্যমে জনপ্রিয়তা দেখলো বিশ্ববাসী৤  একজন রাজনৈতিক নেতার শেষ বিদায় জানাতে এতো মানুষের অংশ নেয়া বিশ্ব গণমাধ্যমেও আলোচিত খবর৤ তিনি বেগম খালেদা জিয়া, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপা‍‍র্সন, সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী৤

 

বুধবার ( ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫) রাজধানী ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাযা নি‍‍র্ধারিত এলাকা ছাপিয়ে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের সবগুলো সড়ক৤জানাজা অংশ নেওয়া এই লাখ লাখ মানুষের সবাই বিএনপির নেতা-কর্মী নন। এঁদের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশাসহ অনেক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কফিন রাখা হয়েছিল মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর পশ্চিম প্রান্তে। এর পেছনে মিরপুর রোড। কফিন সামনে রেখে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, ভেতরের দুটি মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন শোকার্ত মানুষ। একপর্যায়ে জানাজায় আসা মানুষের বিস্তৃতি ছড়িয়ে যায় কফিনের পশ্চিম পাশে মিরপুর রোডের ধানমন্ডির ২৭ নম্বর সড়কে, লালমাটিয়া মাঠ, আসাদ গেট থেকে মোহাম্মদপুর টাউন হল, আগারগাঁও মেট্রোস্টেশন থেকে শ্যামলী পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় শুধু মানুষ আর মানুষ। পূর্ব পাশে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে বিজয় সরণি, আগারগাঁও, খামারবাড়ি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কগুলোতে কোথাও ফাঁকা জায়গা চোখে পড়েনি। আরেক দিকে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ছাড়িয়ে যায়।রাস্তায়, ফুটপাতে, বিভাজকের পাশে, বিভিন্ন ভবনের ছাদে, ওভারব্রিজে, মেট্রোস্টেশনে—যে যেখানে পেরেছেন দাঁড়িয়ে জানাজায় শরিক হওয়ার চেষ্টা করেছেন।

 

বুধবার দুপুর ১২টার একটু পর কফিনবাহী জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়ি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আসে। তার আগে সকাল ১১টার দিকে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বরের তারেক রহমানের বাসা থেকে মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স যাত্রা করে। তারও আগে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স তারেক রহমানের বাসায় পৌঁছায়।

 

বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ ঢাকায় আসেন ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি।সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার পাশে ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানসহ অন্যান্যরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এ সময় তিনি ভারতের শোকবার্তা তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। আজ বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়, খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকবার্তা পাঠিয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে তারেক রহমানের হাতে এই শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে সহমর্মিতা জানিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক।বুধবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়।

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবনের শেষ সময়টা কেটেছে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায়। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এক মাসের বেশি সময় তিনি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ছিলেন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গত ২৩ নভেম্বর জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। এর আগে ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা দিয়ে গাড়িতে উঠেই অস্বস্তি বোধ করছিলেন তিনি। বহু বছর ধরেই খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস এবং চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

 

গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে ইন্তেকাল করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। এ ছাড়া আজ বুধবার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

 

 

 

 

শেয়ার করুন

দেশনেত্রীর শেষ বিদায়ে বিশ্ববাসী দেখলো খালেদার জনপ্রিয়তা

আপডেটের সময় : ১১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা যেন দেশনেত্রীর বিদায়ে শোকাবহে এক জনসমুদ্র৤ আপোষহীন দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের মা হিসেবে পরিচিত সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া৤ তাঁর এই শেষ বিদায়ে মানুষের উপস্থিতির মাধ্যমে জনপ্রিয়তা দেখলো বিশ্ববাসী৤  একজন রাজনৈতিক নেতার শেষ বিদায় জানাতে এতো মানুষের অংশ নেয়া বিশ্ব গণমাধ্যমেও আলোচিত খবর৤ তিনি বেগম খালেদা জিয়া, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপা‍‍র্সন, সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী৤

 

বুধবার ( ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫) রাজধানী ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাযা নি‍‍র্ধারিত এলাকা ছাপিয়ে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের সবগুলো সড়ক৤জানাজা অংশ নেওয়া এই লাখ লাখ মানুষের সবাই বিএনপির নেতা-কর্মী নন। এঁদের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশাসহ অনেক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কফিন রাখা হয়েছিল মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর পশ্চিম প্রান্তে। এর পেছনে মিরপুর রোড। কফিন সামনে রেখে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, ভেতরের দুটি মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন শোকার্ত মানুষ। একপর্যায়ে জানাজায় আসা মানুষের বিস্তৃতি ছড়িয়ে যায় কফিনের পশ্চিম পাশে মিরপুর রোডের ধানমন্ডির ২৭ নম্বর সড়কে, লালমাটিয়া মাঠ, আসাদ গেট থেকে মোহাম্মদপুর টাউন হল, আগারগাঁও মেট্রোস্টেশন থেকে শ্যামলী পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় শুধু মানুষ আর মানুষ। পূর্ব পাশে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে বিজয় সরণি, আগারগাঁও, খামারবাড়ি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর, শাহবাগ পর্যন্ত বিস্তৃত সড়কগুলোতে কোথাও ফাঁকা জায়গা চোখে পড়েনি। আরেক দিকে তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ছাড়িয়ে যায়।রাস্তায়, ফুটপাতে, বিভাজকের পাশে, বিভিন্ন ভবনের ছাদে, ওভারব্রিজে, মেট্রোস্টেশনে—যে যেখানে পেরেছেন দাঁড়িয়ে জানাজায় শরিক হওয়ার চেষ্টা করেছেন।

 

বুধবার দুপুর ১২টার একটু পর কফিনবাহী জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়ি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আসে। তার আগে সকাল ১১টার দিকে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বরের তারেক রহমানের বাসা থেকে মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স যাত্রা করে। তারও আগে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স তারেক রহমানের বাসায় পৌঁছায়।

 

বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ ঢাকায় আসেন ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি।সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার পাশে ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানসহ অন্যান্যরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এ সময় তিনি ভারতের শোকবার্তা তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। আজ বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়, খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকবার্তা পাঠিয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত। আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে তারেক রহমানের হাতে এই শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে সহমর্মিতা জানিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক।বুধবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিটের দিকে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়।

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জীবনের শেষ সময়টা কেটেছে হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায়। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এক মাসের বেশি সময় তিনি হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ছিলেন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গত ২৩ নভেম্বর জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। এর আগে ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রওনা দিয়ে গাড়িতে উঠেই অস্বস্তি বোধ করছিলেন তিনি। বহু বছর ধরেই খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস এবং চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

 

গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে ইন্তেকাল করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। এ ছাড়া আজ বুধবার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।