২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের সকালে প্রথম আলো খবর প্রকাশ করে, “নিয়ম ভঙ্গ করে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেছে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান”। মূহুর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে, ছাত্রদল এখনই ভোটকেন্দ্র দখল করতেছে, ক্ষমতা পেলে কী করবে, বয়কট ছাত্রদল’। সন্ধ্যায় প্রথম আলো নিউজ করে, ‘আবিদুল নিয়ম ভাঙেনি” ভুল নিউজের জন্য দু:খ প্রকাশ করে কিন্তু ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সেটি ভুল ছিল না বরং পরিকল্পিত ষগযন্ত্র।

ছাত্রদলের বিরুদ্ধে সেই সংঘবদ্ধ শিরোনামে মিথ্যা খবর একযোগে করেছিল, প্রথম আলো, বাংলাভিশন, সমকাল, ইত্তেফাক, সময়ের আলো, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরসহ অন্তত ২০ থেকে ২৬ টি গণমাধ্যম সংঘবদ্ধ শিরোনামে সেদিন মূলত, ভোটের পরিবেশ উল্টে দেয়া হয়
একইসাথে গণমাধ্যমের ঘাড়ে বন্দুক রেখে ভোটের বাক্স নিয়ে জালিয়াতি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট বাক্স ছিল স্টিলের। ভোট গণনার সময় ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী অভিযোগ করেন, ব্যালট বাক্স সকালে তাদের দেয়ায়নি এবং যে বাক্তগুলো খালি বলা হয়েছিল, গণনার সময় সেগুলো থেকেই ব্যালট পেপার ঢালা হয় এই প্রশ্নে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা বলেন, সকালে সাংবাদিকদের সামনে, ক্যামেরার সামনে ব্যালট বাক্স খুলে দেখানো হয়েছে। নিয়ম হচ্ছে প্রার্থী অথবা মনোনিত এজেন্ট বাক্স পরীক্ষা করানো। কিন্তু নিয়ম না মানার পরও, গণমাধ্যমকে সাক্ষী করায় ছাত্রদরের অহিদুল ইসলাম খান, বিয়ষটি নিয়ে আর যাচাই বাছাই করেননি
নির্বাচন কর্মকর্তা দাবি সঠিকও যদি হয়, আর সেই গণমাধ্যমগুলো যদি সকালে সংঘবদ্ধভাবে মিথ্যা খবর প্রচার ও প্রকাশ করাগুলোই হয়, তাহলে পুরো নির্বাচনই উল্টে দেয় গণমাধ্যম ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে একটি অংশ। যেহেতু গণমাধ্যমগুলো সেদিনের মিথ্যা খবরগুলো এখনো সংশেধন না করেই অনলাইনে রেখে দিয়েছে
